নবম পে স্কেলের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারি কল্যান সমিতি

 


নবম পে স্কেলের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারি কল্যান সমিতি

আগামী ১১ই জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করা হবে। প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে সরকারি কর্মচারিদের ভাগ্যে কী রয়েছে? দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পে-স্কেলের জন্য সরকারের কাছে বিভিন্নভাবে দাবি করে আসছে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। এখন সরকারি কর্মচারীগণ আন্দোলন চায় না। শান্তিপূর্ণভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ চায়। এ সাক্ষাৎ শুধুমাত্র নবম পে-স্কেলের জন্য।

সরকারি কর্মচারীগণ বৈষম্যমুক্ত একটি নতুন পে স্কেল চায়। সে লক্ষ্যে আজ ২৯-০৩-২০২৬ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারি কল্যান সমিতির আহ্বায়ক জনাব আব্দুল মালেক এর নেতৃত্বে একটি দল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করেছেন ২২ লক্ষ সরকারি কর্মচারীর পক্ষ থেকে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারি কল্যান সমিতি ইতোপূর্বে নবম পে স্কেলের জন্য স্বারক লিপি জমা দিয়েছিলেন। 

নবম পে স্কেলের বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারিরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন। দাবির মধ্যে ১৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেড সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশের দাবি অন্যতম। বৈষম্যহীন বেতন কাঠামোর দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর সাক্ষাতের আবেদন করেছেন। 

প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদনের রূপরেখা:-

তারিখঃ ২৯/০৩/২০২৬
বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাও, ঢাকা-।

বিষয়ঃ বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন ও মাননীয়  প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে।

মহোদয়, 
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ। দেশের বর্তমান উচ্চমূল্য স্ফীতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারিরা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এমতবস্থায়, দেশের ২২ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি ও তাদের পরিবারের পক্ষ হতে নিম্নলিখিত দাবিগুলো আপনার সদয় বিবেচনার জন্য পেশ করছি।

১। বৈষম্যহীন নবম জাতীয় পে স্কেল প্রণয়ন এবং ১:৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেড নির্ধারণ
২। বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সঙ্গতি রেখে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন চালু করা 
৩। পহেলা জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা

অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের উপরোক্ত যৌক্তিক দাবিগুলো পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনার মূল্যবান সাক্ষাতে আলোচনার  জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। 

বিনীত নিবেদক,
কর্মচারীবৃন্দ।




সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আশা রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে পে স্কেল ।। Government officials and employees hope for pay scale in the 2026-2027 budget

 


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আশা রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে পে স্কেল 

Government officials and employees hope for pay scale in the 2026-2027 budget

বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সরকারের ওপর চরম অর্থনৈতিক চাপ রয়েছে। ফলে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত নবম পে-স্কেল 9th pay scale একবারে বাস্তবায়ন কতখানি সম্ভব হবে. তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের এই নতুন বেতন কাঠামো এখনই পুরোপুরি দেওয়া সম্ভব নয়; বরং এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হতে পারে। উদ্ভুত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সরকার পে-স্কেল pay scale ইস্যুটি রিভিউ করার ঘোষণাও দিয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি বড় অংশ ফ্যামিলি কার্ড ও জ্বালানি তেলের ভর্তুকিতে ব্যয় হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ১১ই জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করা হবে। প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে, এই বাজেটে বহুল প্রতীক্ষিত পে স্কেলের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে দ্ধিধায় রয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

দীর্ঘদিন নতুন পে স্কেল New pay scale না হওয়া এবং সুপারিশ বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণে সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলন বা অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম বড় উদ্যোগ ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেলের সুপারিশ। তবে নতুন সরকার গঠনের পর েএ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় এক ধরণের নিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকা অন্য খাতে ব্যয়ের খবরে আস্থাহীনতা বাড়ছে সরকারি কর্মচারীদের মাঝে। চলমান ইরান সংকট ও বৈশ্বিক উত্তেজনা এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। 

তবে সকল কিছুর পরেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আশা রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে পে স্কেল pay scale বাস্তবায়নের দিকে।

১১ বছর পূর্বের বেতন কাঠামো দিয়ে বর্তমান বাজারের মাসব্যাপী খরচ মেটানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সকল নিত্যপণ্যের ব্যয়সহ যাবতীয় খরচাদি তুলনামূলক বহুমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই, বর্তমান সরকারের নিকট জনগণের প্রত্যাশা বাজারদর অনুযায়ী বেতন কাঠামোর উন্নতি হোক আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই। 



জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Manpower Employment and Bureau Job Circular 2026

 


জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Manpower Employment and Bureau Job Circular 2026

বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসি Technical Training Center (TTC) শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ দপ্তরসমূহে ভাষা শিক্ষা কোর্স পরিচালনার জন্য অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে জাপান, রাশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গমনের ইচ্ছুদের জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)  এর নিয়ন্ত্রনাধীন ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলোজি (আইএমটি)/  কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিকদের নিকট হতে দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে। 

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Manpower Employment and Bureau Job Circular 2026

অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী প্রার্থীদের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) এর ওয়েবসাইটে www.bmet.gov.bd হতে নির্ধারিত আবেদন ফরম ডাউনলোড করে আবেদন পত্রের স্ক্যান কপি বিজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ হতে ২০/০৪/২০২৬ তারিখের মধ্যে  bmettrs@gmail.com এই ঠিকানায় প্রেরণ করতে হবে। 

যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজনঃ

১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ

২। জাতীয় পরিচয়পত্র 

৩। ভাষাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সনদ

৪। রঙ্গিন ছবি

৫। সকল সনদের ফটোকপি

৬। পাসপোর্ট এর ফটোকপি


১। পদের নামঃ অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক (জাপানিজ ভাষা)

পদের সংখ্যাঃ ৪০

সম্মানিঃ প্রতি ঘণ্টা ৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ নুন্যতম এইচএসসি/সমমানসহ জাপানিজ ভাষাগত দক্ষতায় JLPTN3/সমমান লেবেলপাস হতে হবে।

জাপানে তিন বছরের অধিক সময় অবস্থানকারীগণ/সুনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে তিন বছরের অধিক সময় জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালনকারীগণ অগ্রাধিকার পাবেন। 

২। পদের নামঃ অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক (রাশিয়ান ভাষা)

পদের সংখ্যাঃ ০২

সম্মানিঃ প্রতি ঘণ্টা ৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ নুন্যতম এইচএসসি/সমমানসহ রাশিয়ান ভাষাগত দক্ষতায় level B1/সমমান লেবেল পাস হতে হবে।

রাশিয়ায় তিন বছরের অধিক সময় অবস্থানকারীগণ/সুনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে তিন বছরের অধিক সময় জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালনকারীগণ অগ্রাধিকার পাবেন। 

৩। পদের নামঃ অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক (ফ্রেঞ্চ ভাষা)

পদের সংখ্যাঃ ৪০

সম্মানিঃ প্রতি ঘণ্টা ৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ নুন্যতম এইচএসসি/সমমানসহ ফ্রেঞ্চ ভাষাগত দক্ষতায় JLPTN3level B1/সমমান লেবেল পাস হতে হবে।

ফ্রান্সে তিন বছরের অধিক সময় অবস্থানকারীগণ/সুনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে তিন বছরের অধিক সময় ফ্রান্সে ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালনকারীগণ অগ্রাধিকার পাবেন। 

৪। পদের নামঃ অতিথি ভাষা প্রশিক্ষক (ইতালিয়ান ভাষা)

পদের সংখ্যাঃ ০৬

সম্মানিঃ প্রতি ঘণ্টা ৮০০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ নুন্যতম এইচএসসি/সমমানসহ ইতালীয় ভাষাগত দক্ষতায় level B২/সমমান লেবেল পাস হতে হবে।

ইতালীয়ান তিন বছরের অধিক সময় অবস্থানকারীগণ/সুনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে তিন বছরের অধিক সময় ইতালিয়ান ভাষা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালনকারীগণ অগ্রাধিকার পাবেন। 

দায়িত্ব পালন সাপেক্ষে প্রতি কার্যদিবসে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টা সম্মানি প্রাপ্য হবেন।

প্রার্থীর বয়স ২২ হতে ৪৫ বছর এর মধ্যে হতে হবে।

লিখিত পরীক্ষার তারিখঃ ২৪শে এপ্রিল শুক্রবার ২০২৬ (সকাল ১০টা)। 

লিসেলিং টেস্টঃ ২৪শে এপ্রিল শুক্রবার ২০২৬ ( বেলা ৩টায়)

মৌখিক পরীক্ষার তারিখঃ ২৪শে এপ্রিল শুক্রবার ২০২৬ (বিকেল ৫টা)

ফলাফল প্রকাশঃ ২৫শে এপ্রিল, শনিবার ২০২৬,  নোটিশ বোর্ডে, মোবাইলে, বিএমইটি এর ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।






জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Manpower Employment and Bureau Job Circular 2026 উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে আবেদন করুন। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও ব্যুরো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Manpower Employment and Bureau Job Circular 2026 সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তঃমন্ত্রণালয়, দপ্তর, পরিদপ্তর, মন্ত্রণালয়, ব্যাংক, বীমা, ্স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনজিও, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, এয়ারফোর্স/বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন চাকরির খবর। আপনি কি চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন? যে কোনো ধরণের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে এখনই আমাদের ওয়েবসা্ইট পেইজে দেখুন।

প্রতিদিনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে পেইজের সাথেই থাকুন। প্রতিদিনের সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি, সরকারি দপ্তরে আউটসোর্সিং চাকরির বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চাকরির আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে Bdjobs7day.com পেইজের সাথেই থাকুন।


এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ প্রকাশ ২০২৬



এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ প্রকাশ  ২০২৬

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ প্রকাশশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠিটির বোর্ডের আওতাধীন এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র ২০২৬ এর সব কেন্দ্র সচিবকে পাঠানো হয়েছে। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি)’র পরীক্ষার প্রবেশপত্র ৫ ও ৬ই এপ্রিল নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষার শাখা থেকে বিতরণ করা হবে। 

কেন্দ্র সচিব নিজে অথবা তার প্রাধিকার প্রাপ্ত কোনো শিক্ষকের স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র অফিস চলাকালে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। 

ঢাকা মহানগর, ঢাকা জেলা, গাজীপুর টাঙ্গাইল কেন্দ্র সচিবদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে ৫ই এপ্রিল। মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, ফরিদপুর, নরসিংদি, শরিয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, কেন্দ্র সচিবদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে ৬ই এপ্রিল। 

কেন্দ্রের অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে ৭ই এপ্রিল। 

তাই, রেজিষ্ট্রেশন ফরম সংশোধনীর আবেদনপত্র চলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে নিজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট  জমা দিয়ে সংশোধন করিয়ে নিতে হবে। অন্যথায়, পরীক্ষায় কোনো প্রকার জটিলতা সৃষ্টি হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দায়ী থাকবেনা। 

পরীক্ষার্থীদের নাম, পিতা ও মাতার নাম, রোল নম্বর, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর, কোনো প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন হলে ভুলের বিবরণ, সঠিক যা হবে তা ছকের মাধ্যমে লিখে আবেদন করতে হবে। ৫ই এপ্রিলের পূর্বে সংশোধন করতে হবে। 



ই রা ন পৃথিবীতে ২ টা দেশ!! একটা মাটির উপরে আরেকটা মাটির নিচে!! কি বিশ্বাস হচ্ছে নাতো!?



ই রা ন IRANA পৃথিবীতে ২ টা দেশ!! একটা মাটির উপরে আরেকটা মাটির নিচে!! কি বিশ্বাস হচ্ছে নাতো!? ২ মাস পরই বুঝতে পারবেন। ইরান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহ ছুঁইছুঁই অবস্থা। চলুন নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার রেসে কে এগিয়ে রয়েছে - ১. আমেরিকা: ৩ সপ্তাহে ২২.৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। কাউকে পাশে পায়নি। যদি জোটবদ্ধ হলে আরব আমিরাত যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ন্যাটো সদস্যরা ট্রাম্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। তেল ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের বেশি লেনদেন করছে। ডলারের মান অবনতির দিকে যাচ্ছে। সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা আরো দ্রুত হারাচ্ছে। ২. ইরান: বোমার আঘাতে দেশ, জনগণ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্রমে ধ্বংস হলেও শত্রুর বিরুদ্ধে সমানতালে যুদ্ধ করছে। চীনের কাছে দৈনিক ১৮০ মিলিয়ন ডলার তেল বিক্রি করছে। হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে তেলের বাজারের অঘোষিত রাজা বনে গেছে। নিজের তৈরী করা আইন অনুসরণ করার জন্য অন্য রাষ্ট্রগুলিকে প্রায় বাধ্য করছে। ৩. চায়না: যুদ্ধে ইরানের কাছে ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে। সস্তায় তেল কিনছে। হরমুজ পাড় হতে ইউয়ানকে বিশ্বের কাছে শক্তিশালী করছে। মার্কিন বি-টু বোম্বারকে এআই প্রযুক্তি দিয়ে ট্র্যাক করতে সমর্থ হয়েছে। মার্কিন শক্তি দুর্বল হওয়ায় তাইওয়ান দখলের সম্ভাবনা দৃঢ় হচ্ছে। ৪. রাশিয়া: ইরানকে স্যাটেলাইট ছবি ও ড্রোন প্রযুক্তি দিচ্ছে। আমেরিকার মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরে যাওয়ায় ইউক্রেন যুদ্ধে আরো এগিয়ে যাচ্ছে। আরো বেশি আক্রমণ বাড়িয়েছে। ৫. ইউরোপ: যুদ্ধে না জড়িয়ে পাশ থেকে দেখছে। তেলের কারণে তাদের অর্থনীতি ক্রমশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এবং তাদের বিভিন্ন রাষ্ট্র ধীরে চীনের দিকে সরে এগিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধের মোট ৫ টি প্রধান অংশের ভেতর সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চায়না। ইরান এখনো পর্যন্ত ভালোমত টিকে রয়েছে। আমেরিকার দুর্বলতায় রাশিয়া বেশ সুবিধা ভোগ করছে এবং অর্থনীতি ও ক্ষমতার দিক থেকে পরাজিত নাম আমেরিকf আপনি কি ভাবছেন?

কুষ্টিয়া জেলার পোস্ট কোড

 


বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্জলের পোষ্টকোড নম্বরের তালিকা।

কুষ্টিয়া জেলার প্রধান পোষ্ট কোড বা ডাক সংকেতসহ অন্যান্য জেলা উপজেলার পোষ্ট অফিসের পোষ্টাল কোডসমূহ নিচে দেওয়া হলো।

কুস্টিয়া জেলার পোস্ট কোড সমূহ নিচে দেখুনঃ উপজেলাসমূহের পোষ্টকোড ব্যবহার করে চিঠি-পত্র প্রেরণসহ জন্মনিবন্ধন করা ও জায়গা-জমি কেনা বেচায় বিশেষ বিশেস কাজ সম্পন্ন করতে সহজ হয়।

বাংলাদেশের ডাক কোড ১৯৮৬, দেশের সব এলাকায় বরাদ্ধ করা হয় এবং বাংলাদেশে পাঁচটি জেনারেল পোষ্টঅফিস রয়েছে। সেগুলো হলো কেন্দ্রীয় পোষ্টঅফিস। 
ঢাকা জিপিও নির্ধারিত কোড ১০০০, মহানগর জেনারেল পোষ্টঅফিস, ঢাকা মহানগর নির্ধারিত পোষ্টকোড ১১০০।  
জেনারেল পোষ্ট অফিস উত্তর অঞ্জল, রাজশাহী জিপিও নির্ধারিত কোড ৬০০০ এবং জেনারেল পোষ্টঅফিস দক্ষিণাঞ্চল, খুলনা জিপিও নির্ধারিত কোড ৯০০০।



SL. NoUpazilaPost Office (English)পোস্ট কোড বাংলাPost Code
1SadarKushtia HO ৭০০০7000
2SadarKushtia Mohini Mills TSO ৭০০১7001
3SadarJagati SO ৭০০২7002
4SadarIslamic University SO ৭০০৩7003
5KumarkhaliKumarkhali UPO ৭০১০7010
6KumarkhaliPanti EDSO ৭০১১7011
7Janipur (Khoksa)Janipur (Khoksa) UPO ৭০২০7020
8Janipur (Khoksa)Khoksa SO ৭০২১7021
9MirpurMirpur UPO ৭০৩০7030
10MirpurPuradah SO ৭০৩১7031
11MirpurAmla Sadarpur EDSO ৭০৩২7032
12BheramaraBheramara UPO ৭০৪০7040
13BheramaraGanges Bheramara SO ৭০৪১7041
14BheramaraAllahr Darga SO ৭০৪২7042
15Refayetpur (Daulatpur)Refayetpur (Daulatpur) UPO ৭০৫০7050
16Refayetpur (Daulatpur)Taragunia SO ৭০৫১7051
17Refayetpur (Daulatpur)Khas Mathurapur SO ৭০৫২7052

Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !! সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ ৭৫ লাখ টাকা ৫% সরল সুদে



সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ !! Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !!

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ !! Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !! সরকারি চাকরিজীবীগণ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণে সুদের হার ৯% যার মধ্যে ঋণ গ্রহীতার দিতে হবে  ৫% এবং ভর্তুকি দিবে ৪%। এই ঋণের মেয়াদ ২০ বছর। এই ঋণে জমির মূল্যসহ ৯০% পর্যন্ত অর্থায়ণ সুবিধা পাওয়া যায়। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ পেতে অগ্রণী ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, রুপালি ব্যাংকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রয়াত্ত ও সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়।

গৃহনির্মাণ ঋণের প্রধান শর্তাবলীঃ 

ঋণের পরিমাণঃ সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত 

সুদের হারঃ ৯% (যা ঋণগ্রহীতা ৫% আর বাকি ৪% সরকার বহন করে)

মেয়াদঃ সর্বোচ্চ ২০ বছর (গ্রেসপিয়ডসহ)

যোগ্যতাঃ স্থায়ী সরকারি কর্মচারি (স্বায়ত্ত্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিরা ও অন্তর্ভুক্ত)

সুবিধাঃ জমি বা ফ্ল্যাট কেনার ৯০% পর্যন্ত ব্যাংক অর্থায়ন করে।

আবেদন প্রক্রিয়াঃ অনলাইনের মাধ্যমে অগ্রণী ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, রুপালি ব্যাংকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রয়াত্ত ও সরকারি ব্যাংকের ওয়েবসাই্ট এ প্রাথমিক আবেদন ও পরে সরাসরি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 

১। নির্ধারিত আবেদন ফরম

২। বেতনের পে-ফিক্সিশন

৩। জাতীয় পরিচয়পত্র

৪। জমির মালিকানা দলিল ও কাগজপত্র

৫। ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এগ্রিমেন্ট কপি

৬। সর্বশেষ জিপিএফ (জিপি ফান্ডের শেষ প্রত্যয়ণপত্র কপি) 

৭। চাকরি স্থায়ীকরণ সংক্রান্ত প্রমাণপত্র

Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !! সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ

সাময়িক অনুমোদন পত্র/মঞ্জুরিপত্র (বাড়ি নির্মান)/ জমিক্রয়সহ (বাড়ি নির্মানসহ) যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন বিস্তারিত দেওয়া হলো।

  









Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !! সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ

সাময়িক অনুমোদনপত্র / মঞ্জুরিপত্র (ফ্লাট ক্রয় যৌথ) স্পাউস ঃ আপনি যদি যৌথ মালিকানায় ফ্লাট ক্রয় করতে চান তাহলে এ সকল অনুমোদন পত্র / মঞ্জুরি পত্র ফরমসহ এ সকল কিছু আপনার জন্য প্রয়োজনীয়। 












Home Construction Loans through Banking Management for Government Employees !! সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গৃহনির্মান ঋণ

সাময়িক অনুমোদনপত্র (ফ্ল্যাটক্রয়/তৈরি বাড়ি ক্রয়) ঃ আপনি যদি ফ্ল্যাট ক্রয় করতে চান অথবা তৈরি বাড়ি ক্রয় করতে চান তাহলে এ সকল কাগজপত্র আপনার প্রয়োজনীয়।











ফ্যামিলি কার্ড যেভাবে পাবেন!!! ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করতে যা যা লাগবে !! How to get family card everything you need to apply for a family card



ফ্যামিলি কার্ড যেভাবে পাবেন!!! ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করতে যা যা লাগবে! How to get family card everything you need to apply for a family card

ফ্যামিলি কার্ড যেভাবে পাবেন!!! ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করতে যা যা লাগবে!! How to get family card everything you need to apply for a family card গত ১০ই মার্চ ফ্যামিলি কার্ডের বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে।এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এতে ৫০ লাখ নারী পরিবার প্রধান এই সুবিধা পর্যায়ক্রমে ভোগ করবেন। এজন্য বছরের সরকারের ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা। 

ফ্যামিলি কার্ড যেভাবে পাবেন!!! ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করতে যা যা লাগবে!! How to get family card everything you need to apply for a family card

ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়াঃ আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, (NID) পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
 
এছাড়া ঘরে বসে আবেদনের জন্য অনলাইনে MY GOV আবেদন করা যাবে। প্রতি পরিবারের জন্য শুধু একটি কার্ড ইস্যু করা হবে। যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে। হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। 

কৃষক কার্ড পাওয়ার উপায় কি? কিভাবে কৃষক কার্ড পাওয়া যাবে, কৃষক কার্ড পেতে কি কি লাগবে। What are the ways to get a farmer card? How to get farmer card, rules for getting a farmer card.

 


কৃষক কার্ড পাওয়ার উপায় কি? কিভাবে কৃষক কার্ড পাওয়া যাবে,কৃষক কার্ড পাওয়ার নিয়ম।

What are the ways to get a farmer card? How to get farmer card, rules for getting a farmer card.

আগামী ১৪ই এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে প্রধানমন্ত্রী Prime Minister তারেক রহমান কৃষক কার্ড চালু Farmer card launched কর্মসুচির উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা  ডাক্তার রাশেদ আল মাহমুদ বলেছেন, আমাদের দেশ ‍কৃষিনির্ভর এবং কৃষকদের বর্ষপঞ্জি বাংলা মাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই বাংলা নববর্ষের দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড Farmer card উদ্বোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কৃষকদের মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষক কার্ড Farmer card দেশের প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক। কৃষক কার্ডের Farmer card মাধ্যমে কৃষকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

অনুদান হিসেবে গড়ে ২,৫০০ টাকা /কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।

অনুদান হিসেবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্যমুল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তি এবং ফসলের রোগ ও কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ।

কৃষক কার্ড পেতে কি কি লাগবে।What is required to get farmer's card?

কৃষক কার্ড পেতে কি কি লাগবে?  rules for getting a farmer card.

বাংলাদেশ ‍কৃষক কার্ড বা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড পেতে হলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। 

আবেদনকারীকে জাতীয় পরিচয়পত্র ছবি ও স্থানীয় প্রতিনিধির ই্উপি সদস্য বা প্রত্যয়ণপত্র দিয়ে আবেদন করতে হবে। কৃষক কার্ড পেতে আবেদনকারীর এনআইডি, পাসপোর্টের সাইজের ছবি, সচল মোবাইল নম্বর, জমির মালিকানা দলিল বা প্রমাণপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এবং ই্উনিয় পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হতে হবে। এটি একটি ডিজিটাল কার্ড যা দিয়ে সরাসরি কৃষকগণ ভর্তুকি ঋণ, সার, বীজসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পাবেন।

কৃষক কার্ড পাওয়ার উপায় কি?What are the ways to get a farmer card?

কিভাবে কৃষক কার্ড পাওয়া যাবেHow to get farmer card, 

১। যোগাযোগঃ নিজ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করুন।

২। যাচাইকরণঃ কৃষি অফিস আবেদনকারীর তথ্য সরেজমিনে যাচাই করবে।

৩। কার্ড গ্রহণঃ যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে।

৪। সুবিধাঃ এই কার্ডের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা বছরে প্রায় ২,৫০০ টাকার উপকরণ সহায়তা এবং ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন। 


এই কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের কাছে বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। কৃষক কার্ডের Farmer card মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা পরিষেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সুলভ মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্যমুল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তি এবং ফসলের রোগ ও কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ।

কৃষক কার্ড Farmer card কর্মসূচির প্রাক-পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগের নয়টি উপজেলার নয়টি ব্লকে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে,

  কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে প্রস্তাবিত উপজেলাগুলো হলো বিভাগের নয়টি উপজেলার - টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী ও কুমিল্লা সদরসহ কক্সবাজারের টেকনাফ।

এর মধ্যে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষদের খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে ফসল উৎপাদনের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান ও দেওয়া হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বাস্তবায়ন করবে কর্মসুচির আওতায় প্রত্যেক ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক আর্থিক অনুদান হিসেবে গড়ে ২,৫০০ টাকা ভর্তুকি/কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।

প্রি-পাইলট, ও পাইলট পর্যায় শেষে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কৃষক কার্ডে Farmer card কর্মসুচি বাস্তবায়ন করা হবে।

 

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ১৯১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Bangladesh Agriculture Research Institute BARI Job Circular 2026

 



কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ১৯১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা যাবে ২৬শে এপ্রিল ২০২৬। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI) ১১/৩/২০২৬ চাকুরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI) এ শূণ্য পদসমূহে নিয়োগের নিমিত্তে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI)  ৩০ টি পদে সর্বমোট ১৯১ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI) এ পদে নিয়োগ পেতে অনলাইনে আবেদন করুন। পদগুলোতে পুরুষ ও নারী প্রার্থীগণই আবেদন করতে পারবেন, বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর । অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করার জন্য  নিচে নিয়োগের পদ সমূহ এবং আবেদন পদ্ধতি বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো। 

Bangladesh Agriculture Research Institute BARI Job Details



২৭টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদ সম্পর্কে জানতে নিচে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন:

Bangladesh Agriculture Research Institute BARI Job Apply Process


প্রতিষ্ঠানের নামঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটঃ http://www.barc.gov.bd/
আবেদনের পদ্ধতিঃ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে
নাগরিকত্বঃ বাংলাদেশি

আবেদন শুরুর তারিখঃ ১৫ই মার্চ, ২০২৩ 
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২৬শে 
এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Agriculture Research Institute BARI) -এ নিয়োগের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানেঃ



কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ১৯১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Bangladesh Agriculture Research Institute BARI Job Circular 2026 উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে আবেদন করুন। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ১৯১ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ Bangladesh Agriculture Research Institute BARI Job Circular 2026 সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তঃমন্ত্রণালয়, দপ্তর, পরিদপ্তর, মন্ত্রণালয়, ব্যাংক, বীমা, ্স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনজিও, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, এয়ারফোর্স/বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন চাকরির খবর। আপনি কি চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন? যে কোনো ধরণের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে এখনই আমাদের ওয়েবসা্ইট পেইজে দেখুন।

প্রতিদিনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে পেইজের সাথেই থাকুন। প্রতিদিনের সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি, সরকারি দপ্তরে আউটসোর্সিং চাকরির বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চাকরির আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে Bdjobs7day.com পেইজের সাথেই থাকুন।