ইতালি যাওয়ার জন্য বৈধ ওয়ার্ক পারমিট বাংলাদেশের সরকারের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)
ইতালি যাওয়ার জন্য বৈধ ওয়ার্ক পারমিট বা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে নুল্লা ওস্তা (Nulla Osta) পাওয়া অপরিহার্য , যার জন্য সাধারণত ফ্লো ডিক্রি (Decreto Flussi) এর আওতায় আবেদন করতে হয়। কাজের ভিসার জন্য (D Type) ভিসার ধরন অনুযায়ী খরচ প্রায় ১০০ থেকে ১১৬ ইউরো (প্রায় ১৫ হাজার টাকা) হলেও দালাল ছাড়া সরকারি মাধ্যমে আবেদন করতে পারা সবচেয়ে ভালো।
ইতালি যাওয়ার বৈধ ধাপসমূহঃ
১। কাজের সন্ধান (Work Permit): ইতালিতে কোনো নিয়োগকর্তার কাছ থেকে বৈধ চাকরির প্রস্তাব বা নুল্লা ওস্তা পেতে হবে।
২। ভিসা আবেদন: নুল্লা ওস্তা পাওয়ার পর (VFS GLOBAL) ভিএফস গ্লোবাল অফিস- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ইতালীয় দূতাবাসে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।
৩। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :
- বৈধ পাসপোর্ট
- নুল্লা ওস্তা (Work Authorization)
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
- আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
- ইতালি থাকার জায়গার প্রমাণ (Accommodation proof)
- স্বস্থ্য বীমা
৪। ভিসা ফি: কাজের ভিসার জন্য ভিসা ফি সাধারণত প্রায় ১১৬ ইউরো যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৫০০ (ভ্যাটসহ)
৫। বিমান টিকেট: ভিসা পাওয়ার পর বিমান টিকেট সময়ানুযায়ী কেটে ভ্রমণ করা।
নিরাপদে ইতালি যাওয়ার উপায়: দালালের মাধ্যম ছাড়া বাংলাদেশের সরকারের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) এর মাধ্যমে বা ইতালির নিয়োগকর্তার সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ইতালিতে যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
ইতালির সরকার প্রতিবছর নির্দিষ্ট কোটায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়ে থাকে।
ইতালির সরকার কর্তৃক ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের জন্য অনুমোদিত নতুন ফ্লো ডিক্রি অনুযায়ী আগামী তিন বছরে পরিবহন, কৃষি, নির্মাণ, উৎপাদন, ডমেস্টিক, কেয়ার গিভার, নার্সিং সেবাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে অন্তত পাঁচ লাখ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী তিন বছরে কোঠায় ফ্রিল্যান্সার, স্টার্ট আপ, উদ্যোক্তাদের জন্য সীমিত সুযোগ রাখা হয়েছে।







