৯ম পে স্কেল ফিক্সেশন করার নিয়ম, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম ।



৯ম পে স্কেল ফিক্সেশন করার নিয়ম, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম ।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ (৮ম) পে স্কেল ২০১৫ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ৯ম পে স্কেল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কর্তৃক ঘোষণা বা চালু করা হয়নি।

তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যখনই কোনো নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়, তখন ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। পূর্ববর্তী পে স্কেলগুলোর (বিশেষ করে ২০১৫ সালের ৮ম পে স্কেলের) আলোকেই সাধারণত পরবর্তী স্কেলের ফিক্সেশন নীতি নির্ধারিত হয়ে থাকে।

সাধারণত যে নিয়মগুলোর ভিত্তিতে নতুন পে স্কেলের ফিক্সেশন করা হয়, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. মূল বেতন নির্ধারণের সাধারণ সূত্র

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের তারিখের ঠিক আগের দিন একজন কর্মচারী যে মূল বেতন (Basic Pay) পাচ্ছিলেন, সেটিকে ভিত্তি ধরা হয়।

  • নতুন পে স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডে যদি ওই সমপরিমাণ টাকার কোনো ধাপ (Stage) থাকে, তবে সেই ধাপে তার বেতন ফিক্সড হবে।

  • যদি আগের বেতনের সমপরিমাণ কোনো ধাপ নতুন স্কেলে না থাকে, তবে তার ঠিক পরবর্তী উচ্চতর ধাপে (Immediate Higher Stage) বেতন নির্ধারণ করা হবে।

২. ইনক্রিমেন্ট বা বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি

নতুন পে স্কেল প্রদানের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ববর্তী স্কেলের অর্জিত ইনক্রিমেন্টগুলো হিসাব করা হয়। এছাড়া নতুন কাঠামোতে সাধারণত সবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখে (যেমন: বর্তমানে ১লাই জুলাই) বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম কার্যকর থাকে।

৩. উচ্চতর গ্রেড এবং টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড

যদি কোনো কর্মচারী নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার আগেই উচ্চতর গ্রেড, টাইমস্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হন এবং সেটি পেয়ে থাকেন, তবে ফিক্সেশনের সময় ওই উচ্চতর গ্রেডের স্কেলকে ভিত্তি ধরে নতুন বেতন নির্ধারিত হবে।

৪. অনলাইন পে-ফিক্সেশন (Online Pay Fixation)

বর্তমানে ফিক্সেশনের পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল বা অনলাইনে সম্পন্ন হয়। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীদের iBAS++ বা নির্ধারিত সরকারি পে-ফিক্সেশন পোর্টালে গিয়ে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো দিয়ে ফিক্সেশন করতে হবে:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর।

  • ভেরিফাইড মোবাইল নম্বর।

  • বর্তমান পদের গ্রেড ও মূল বেতন।

গুরুত্বপূর্ণ নোট: যেহেতু ৯ম পে স্কেল এখনো চূড়ান্ত বা কার্যকর হয়নি, তাই এর সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন বা গ্যাজেট প্রকাশের পরই ফিক্সেশনের চূড়ান্ত নিয়ম ও টেবিল (Fixation Table) জানা যাবে। সরকার নতুন পে স্কেল ঘোষণার পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করবে।

বাংলাদেশ সরকারের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ৯ম পে স্কেল (জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬) ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন পে স্কেল ঘোষণার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যেভাবে বেতন নির্ধারণ (Fixation) এবং বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (Annual Increment) যোগ করা হয়, তার বিস্তারিত নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:

১. ৯ম পে স্কেলে পে ফিক্সেশন (Pay Fixation) বা বেতন নির্ধারণের নিয়ম

নতুন পে স্কেল জারি হওয়ার পর প্রতিটি কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতনকে (Basic Salary) নতুন স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত iBAS++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইন পে-ফিক্সেশনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হয়ে থাকে। এর মূল নিয়মগুলো হলো:

  • ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর ও নিকটতম উচ্চতর ধাপ (Nearest Higher Stage): নতুন স্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখে একজন কর্মচারী যে মূল বেতন পাচ্ছিলেন, নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডে তার সমপরিমাণ টাকা বা তার চেয়ে ঠিক পরবর্তী উচ্চতর ধাপে তার মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়। নতুন স্কেলে কারও বেতন আগের চেয়ে কমবে না।

  • ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন (Phase-wise Implementation): ২০২৬ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার পুরো আর্থিক সুবিধা একসঙ্গে না দিয়ে ৩টি ধাপে দেওয়া হবে:

    1. ১ম বছর (১ জুলাই ২০২৬ থেকে): নতুন স্কেলের বর্ধিত মূল বেতনের (Basic) ৫০% কার্যকর হবে।

    2. ২য় বছর (১ জুলাই ২০২৭ থেকে): নতুন স্কেলের পূর্ণ ১০০% মূল বেতন দেওয়া শুরু হবে।

    3. ৩য় বছর (১ জুলাই ২০২৮ থেকে): নতুন স্কেল অনুযায়ী বাড়িভাড়া, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সব ভাতা পূর্ণাঙ্গভাবে সমন্বয় করা হবে।

২. বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম

৮ম পে স্কেল (২০১৫) থেকে শুরু হওয়া চক্রবৃদ্ধি (Compound Rate) হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার নিয়মটি ৯ম পে স্কেলেও বহাল রাখা হচ্ছে। নিয়মগুলো নিম্নরূপ:

  • ফিক্সড তারিখ (১লা জুলাই): আগে চাকরিতে যোগদানের তারিখ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ইনক্রিমেন্ট হতো। তবে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রতি বছর ১লা জুলাই একসাথে যোগ হয়।

  • শতকরা (Percentage) হার: গ্রেডভেদে সাধারণত মূল বেতনের ৫% (বা স্কেলের নির্ধারিত হার) হারে চক্রবৃদ্ধি পদ্ধতিতে ইনক্রিমেন্ট যোগ হয়।

  • হিসাবের নিয়ম:

    • চলতি বছরের ৩০শে জুনে আপনার যে মূল বেতন (Basic) থাকবে, তার ওপর নির্দিষ্ট হারে ইনক্রিমেন্ট হিসাব করা হবে।

    • ইনক্রিমেন্টের টাকা যোগ করার পর যে নতুন অ্যামাউন্ট আসবে, তা যদি ওই গ্রেডের কোনো নির্দিষ্ট ধাপের (Step) সাথে সরাসরি মিলে যায়, তবে সেটাই হবে নতুন মূল বেতন।

    • যদি সরাসরি না মিলে, তবে তার পরবর্তী উচ্চতর ধাপে (Next Higher Stage) বেতন ফিক্সড হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যেহেতু ৯ম পে স্কেলটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে আংশিকভাবে (মূল বেতনের বর্ধিত অংশের ৫০%) মাঠপর্যায়ে কার্যকর হওয়া শুরু হচ্ছে, তাই চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট (Official Gazette Notification) প্রকাশের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী ফিক্সেশনের পুঙ্খানুপুঙ্খ গাণিতিক সূত্র আইবাস (iBAS++) সিস্টেমে যুক্ত করে দেওয়া হবে। 

আগামীকাল নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির যে মিটিং রয়েছে সে মিটিংয়ের বিস্তারিত আলোচনা

 


আগামীকাল ২১ মে, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের ‘সচিব পর্যালোচনা কমিটি’র যে বৈঠকটি হতে যাচ্ছে, তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারি সূত্রগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নীতিগত গ্রিন সিগন্যালের পর এই বৈঠকে মূলত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

অর্থনৈতিক চাপ সামলে কীভাবে এটি কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে এই মিটিংয়ে যে সম্ভাব্য সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত হতে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. ৩টি ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ

অর্থনীতির ওপর যেন একবারে বিশাল চাপ না পড়ে, সেজন্য জাকির আহমেদ খান কমিশনের মূল সুপারিশগুলো হুবহু একবারে না দিয়ে ৩টি অর্থবছর জুড়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে।

  • প্রথম ধাপ (২০২৬-২৭ অর্থবছর): নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের (Basic Pay) ৫০ শতাংশ অংশ আগামী ১ জুলাই থেকে দেওয়া শুরু হবে।

  • দ্বিতীয় ধাপ (২০২৭-২৮ অর্থবছর): মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে।

  • তৃতীয় ধাপ (২০২৮-২৯ অর্থবছর): বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, উৎসব ও বৈশাখী ভাতাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক আর্থিক সুবিধা পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে।

২. আগামী বাজেটে (২০২৬-২৭) বড় অঙ্কের বরাদ্দ অনুমোদন

আসন্ন বাজেটে নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপের জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব এই বৈঠকে চূড়ান্ত রূপ পাবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব একবারে দিতে গেলে ৪৩ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হতো, তবে এটি ধাপে ধাপে করার কারণে ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমছে।

৩. ১০% মহার্ঘ ভাতা সমন্বয়

বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীরা যে ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন, তা নতুন পে-স্কেলের মূল বেতনের সাথে পুরোপুরি সমন্বয় বা অ্যাডজাস্ট করার আইনি ও আর্থিক রূপরেখা এই বৈঠকে পাস হতে পারে।

৪. ভাতা ও উচ্চপদস্থদের কিছু সুবিধায় কাটছাঁট

জাকির আহমেদ খান কমিশন অনেক সুযোগ-সুবিধা বড় পরিসরে বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও সচিব কমিটি দেশের সার্বিক রাজস্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বেশ কিছু জায়গায় কাটছাঁট করতে পারে। বিশেষ করে:

  • উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি সুবিধা, মালি, বাবুর্চি বা অতিরিক্ত বিশেষ ভাতার প্রস্তাবগুলো বড় আকারে না বাড়িয়ে বিদ্যমান কাঠামোর কাছাকাছি রাখা হতে পারে।

  • তবে নিম্ন গ্রেডের (১১ থেকে ২০তম গ্রেড) জন্য যাতায়াত ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।

৫. মূল বেতন এবং পেনশনের নতুন হার অনুমোদন

বৈঠকে কমিশনের মূল সুপারিশ অনুযায়ী বেতন ও পেনশনের এই কাঠামোটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হতে পারে:

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন (২০তম গ্রেড): ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করা।

  • সর্বোচ্চ মূল বেতন (১ম গ্রেড): ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করা।

  • পেনশনভোগীদের সুবিধা: ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০০% এবং অন্যদের স্তরভেদে ৫৫% থেকে ৭৫% পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত করা।

সংক্ষেপে: আগামীকালের বৈঠক শেষে সচিব কমিটি নতুন পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে কার্যকর করার জন্য তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ এবং ফ্রেমওয়ার্ক সরকারের শীর্ষ মহলে পাঠাবে, যা আসন্ন বাজেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।


গ্রেড নম্বরবর্তমান মূল বেতন (২০১৫ সালের স্কেল)প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতন (২০২৬)বেতন বৃদ্ধির আনুমানিক হার
১ম গ্রেড৭৮,০০০ টাকা (নির্ধারিত)১,৬০,০০০ টাকা (নির্ধারিত)১০৫%
২য় গ্রেড৬৬,০০০ - ৭৬,৪৯০ টাকা১,৩৫,০০০ টাকা১০৪%
৩য় গ্রেড৫৬,৫০০ - ৭৪,৪০০ টাকা১,১৫,০০০ টাকা১০৩%
৪র্থ গ্রেড৫০,০০০ - ৭১,২০০ টাকা১,০২,০০০ টাকা১০৪%
৫ম গ্রেড৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ টাকা৮৮,০০০ টাকা১০৪%
৬ষ্ঠ গ্রেড৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ টাকা৭৩,০০০ টাকা১০৫%
৭ম গ্রেড২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ টাকা৬০,০০০ টাকা১০৭%
৮ম গ্রেড২৩,০০০ - ৫৫,৪৭০ টাকা৪৮,০০০ টাকা১০৮%
৯ম গ্রেড২২,০০০ - ৫৩,০৬০ টাকা৪৬,০০০ টাকা১০৯%
১০ম গ্রেড১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ টাকা৩৪,০০০ টাকা১১২%
১১তম গ্রেড১২,৫০০ - ৩০,২৩০ টাকা২৭,০০০ টাকা১১৬%
১২তম গ্রেড১১,৩০০ - ২৭,৩০০ টাকা২৫,০০০ টাকা১২১%
১৩তম গ্রেড১১,০০০ - ২৬,৫৯০ টাকা২৪,৫০০ টাকা১২২%
১৪তম গ্রেড১০,২০০ - ২৪,৬৮০ টাকা২৩,০০০ টাকা১২৫%
১৫তম গ্রেড৯,৭০০ - ২৩,৪৯০ টাকা২২,০০০ টাকা১২৬%
১৬তম গ্রেড৯,৩০০ - ২২,৪৯০ টাকা২১,৫০০ টাকা১৩১%
১৭তম গ্রেড৯,০০০ - ২১,৮০০ টাকা২১,০০০ টাকা১৩৩%
১৮তম গ্রেড৮,৮০০ - ২১,৩১০ টাকা২০,৭০০ টাকা১৩৫%
১৯তম গ্রেড৮,৫০০ - ২০,৫৭০ টাকা২০,৩০০ টাকা১৩৮%
২০তম গ্রেড৮,২৫০ - ২০,০১০ টাকা২০,০০০ টাকা১৪২%

তালিকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক:

  • নিম্ন গ্রেডগুলোতে বেশি নজর: ২০১৫ সালের পে-স্কেলের তুলনায় এবার ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ১৪২% বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা মূল্যস্ফীতির বাজারে টিকে থাকতে পারেন।

  • সিনিয়র সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের বেতন: ১ম গ্রেডের ওপরে থাকা সিনিয়র সচিব এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব/প্রধান সচিবদের জন্য বিশেষ স্কেল হিসেবে যথাক্রমে ১,৭৫,০০০ টাকা এবং ১,৯০,০০০ টাকা (নির্ধারিত) মূল বেতনের সুপারিশ করা হয়েছে।

  • ধাপে ধাপে প্রাপ্তি: আগামীকাল সচিব কমিটির বৈঠকে এই বেতন কাঠামো অনুমোদন পেলেও, আগামী ১ জুলাই থেকে কর্মচারীরা এই নতুন স্কেলের ৫০ শতাংশ হারে মূল বেতন পাওয়া শুরু করবেন এবং পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে বাকিটা যোগ হবে।

 

 


ঢাকা জেলার অধীনে (মহানগরের বাইরের উপজেলাসমূহ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ

ঢাকা জেলার মূল ৫টি উপজেলার অধীনে প্রশাসনিকভাবে ৭টি প্রধান থানা এগুলো মধ্যে 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ

ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা তথা সাভার মডেল থানা এলাকার প্রধান প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

সাভার এলাকার প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ

  • সাভার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • রাজাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • তেঁতুলঝোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • রেডিও কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভাকুর্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মোগরাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চুনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খাগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


অন্যান্য ইউনিয়নের কিছু উল্লেখযোগ্য বিদ্যালয়:

  • বিরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আকরান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কাকাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আশুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জিরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নোট: সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিসের অধীনে শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এখানে কেবল সাভার পৌরসভা ও তার আশেপাশের মডেল থানা এলাকার সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান বিদ্যালয়গুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানাধীন (সাভার উপজেলা) প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো। আপনার সুবিধার্থে বোঝার জন্য বিদ্যালয়গুলোর নাম উল্লেখ করা হলো:

১. আশুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

 ২. জিরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৩. জামগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৪. ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৫. শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৬. কাইচাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৭. পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৮. বড় আশুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৯. বাইপাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

১০. শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(নোট: আশুলিয়া থানা এলাকায় বা সাভার উপজেলার এই অংশে বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো ইউনিয়ন বা এলাকার স্কুলের তালিকা প্রয়োজন হয়, তবে জানাতে পারেন।)

ধামরাই উপজেলায় অনেকগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে ধামরাই থানার অন্তর্গত প্রধান ও উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

  • ধামরাই মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ধামরাই ডাউটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কুশুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সূয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সোমভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নান্দেশ্বরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • যাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চৌহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আমতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গাংগুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


নোট: ধামরাই উপজেলায় মোট দেড় শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনি কি নির্দিষ্ট কোনো ইউনিয়ন বা গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম জানতে চাচ্ছেন?

ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত কেরানীগঞ্জ মডেল থানা (যা মূলত উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল বা মডেল থানা এলাকার ইউনিয়নগুলোর অন্তর্ভুক্ত) এলাকার প্রধান ও উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

  • কোণাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • রোহিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সোনাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঘাটাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঘাটারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মুগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পশ্চিম মুগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বাঘাশুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চরবাঘাশুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গোয়ালখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বেলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খাড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নতুনচর খাড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বটতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঘোষকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পাঁচদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কাউটাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • তালেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • হাজী আজমত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নতুন মধুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বাক্তারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চরকুন্দলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(উল্লেখ্য, কেরানীগঞ্জ উপজেলা মূলত দুটি থানায় বিভক্ত—কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা। উপরোক্ত বিদ্যালয়গুলো মূলত মডেল থানা এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন যেমন: রোহিতপুর, তারানগর, কলাতিয়া, কালিন্দী, বাস্তা, হযরতপুর ইত্যাদির অধীনে অবস্থিত।)

আপনার কি নির্দিষ্ট কোনো ইউনিয়ন বা এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা জানার প্রয়োজন আছে?

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অধীনে থাকা কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

১. কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

২. কোন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৩. জাজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৪. শুভাঢ্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৫. ইকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৬. পানগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৭. চড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৮. বাঘৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

৯. মীরবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 

১০. আব্দুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(দ্রষ্টব্য: কেরানীগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অধীনে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বিভিন্ন ইউনিয়নে আরও বেশ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।)

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার (থানা) উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

  • দোহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • হরিচন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মৌড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঝনকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পাকুন্ডা (পানকুন্ড) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শাইনপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পূর্বচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • অরঙ্গাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আওলিয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইউসুফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নোট: দোহার উপজেলায় অনেকগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনি কি নির্দিষ্ট কোনো ইউনিয়ন বা এলাকার (যেমন: জয়পাড়া, মুকসুদপুর, বিলাশপুর ইত্যাদি) বিদ্যালয়ের নাম জানতে চাচ্ছেন?

নবাবগঞ্জ থানা (বর্তমানে যা নবাবগঞ্জ উপজেলা হিসেবে পরিচিত) ঢাকা জেলার অন্তর্গত একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকা। এই উপজেলায় অনেকগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রধান এবং উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে ইউনিয়ন ভিত্তিক ও এলাকা ভিত্তিক তালিকাভুক্ত করা হলো:

১. কলাকোপ্পা ও সদর এলাকা

  • কলাকোপা কোকিলপ্যারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বান্দুরা হলিক্রস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বান্দুরা সংলগ্ন)

  • নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নতুন বান্দুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

২. শিকারীপাড়া ও বক্সনগর এলাকা

  • শিকারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বক্সনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • তোষাফাত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কৈলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

৩. যন্ত্রাইল ও গালিমপুর এলাকা

  • যন্ত্রাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গালিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চুড়াইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

৪. অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শোল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বারুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জয়কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নয়নশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


নোট: নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১০০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনি কি নির্দিষ্ট কোনো ইউনিয়ন (যেমন: কলাকোপা, শিকারীপাডাঁ, বা বক্সনগর) বা নির্দিষ্ট কোনো গ্রামের বিদ্যালয়ের তালিকা খুঁজছেন? জানালে আমি আপনাকে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারব। 

ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর নামের তালিকা



ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর নামের তালিকা

 ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এতো বিশাল তালিকা একবারে দেওয়া সম্ভব না হলেও, ঢাকা মহানগরীর প্রধান প্রধান থানা ও এলাকাভিত্তিক জনপ্রিয় এবং উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ঢাকা মহানগরের মিরপুর ও পল্লবী থানা এলাকার প্রধান প্রধান এবং পরিচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

পল্লবী থানা এলাকা

  • পল্লবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেক্টর-৭, মিরপুর)

  • বাউন্নিয়া বাঁধ ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বাউন্নিয়া বাঁধ এলাকা)

  • মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মিরপুর সেনানিবাস এলাকা)

  • শহীদবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • রূফনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (রূপনগর এলাকা)

মিরপুর থানা এলাকা

  • মিরপুর আর. সি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (লালকুঠি, মিরপুর-১)

  • সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেনপাড়া, মিরপুর-১০)

  • গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মাজার রোড এলাকা)

  • আব্দুল মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খলিলুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


নোট: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ পুনর্বিন্যাস ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক সীমানা অনুযায়ী মিরপুর, পল্লবী, শাহ আলী, রূপনগর ও কাফরুল থানা একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। তাই কিছু বিদ্যালয় স্থানীয়ভাবে ভিন্ন থানার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে পরিচিত হতে পারে।


ঢাকা মহানগরের উত্তরা, উত্তরখান এবং দক্ষিণখান এলাকায় বেশ কিছু নামকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে এই এলাকাগুলোর প্রধান কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

উত্তরা এলাকা

  • আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরা)

  • দৌড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরা সংলগ্ন, দিয়াবাড়ী এলাকা)

  • উত্তরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেক্টর ভিত্তিক বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)

উত্তরখান এলাকা

  • উত্তরখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরখান)

  • কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরখান)

দক্ষিণখান এলাকা

  • দক্ষিণখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (EIIN: 137178)

  • কাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দক্ষিণখান সংলগ্ন কাওলা এলাকা)


নোট: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ ওয়ার্ড ও থানা পুনর্গঠনের কারণে অনেক এলাকার সীমানায় নতুন বিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো ওয়ার্ড বা ক্লাস্টারের সব বিদ্যালয়ের তালিকা একদম নিখুঁতভাবে জানতে আপনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা স্থানীয় থানা শিক্ষা অফিস (TEO)-এ যোগাযোগ করতে পারেন।

ঢাকা মহানগরীর গুলশান, বনানী ও খিলক্ষেত এবং এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত উল্লেখযোগ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর (Government Primary School) তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

গুলশান ও বনানী এলাকা

গুলশান ও বনানী থানা এলাকার ভেতরে এবং এর সীমান্তবর্তী ওয়ার্ডগুলোতে যেসকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে:

  • কালাচাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কালাচাঁদপুর, গুলশান)

  • শাহজাদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শাহজাদপুর, গুলশান)

  • আমতলী স্টাফ ওয়েলফেয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহাখালী/বনানী সংলগ্ন আমতলী)

  • কড়াইল টিঅ্যান্ডটি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কড়াইল, বনানী)


খিলক্ষেত এলাকা

খিলক্ষেত থানা এবং এর আওতাধীন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ডুমনি, পাতিরাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ:

  • কুর্মিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত)

  • ডুমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডুমনি, খিলক্ষেত)

  • কুড়িল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কুড়িল, খিলক্ষেত সংলগ্ন)

  • পাতিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পাতিরা, খিলক্ষেত)

  • কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • চামুরখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • মইনারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • মুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

নোট: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পরিবর্ধিত সীমানা এবং থানা পুনর্বিন্যাসের কারণে খিলক্ষেত ও গুলশানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিছু বিদ্যালয় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট পার্শ্ববর্তী থানা বা ইউনিয়নের সাথেও প্রশাসনিকভাবে যুক্ত থাকতে পারে।

ঢাকা শহরের মতিঝিল ও পল্টন থানা এলাকার প্রধান কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

মতিঝিল এলাকা

  • মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • টি এন্ড টি গেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

পল্টন এলাকা

  • পল্টন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পুরানা পল্টন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরীর থানা পুনর্গঠন ও সীমানা পরিবর্তনের কারণে কিছু বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সাথে যৌথভাবে পরিচালিত হতে পারে।)

ঢাকা শহরের ধানমন্ডি ও কলাবাগান থানা এলাকার কয়েকটি প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ধানমন্ডি এলাকা

  • ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪ নম্বর রোড)

  • হাজেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পশ্চিম ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ট্যানারী এরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কলাবাগান এলাকা

  • কলাবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বশির উদ্দিন রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • উত্তর ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কলাবাগান সংলগ্ন এলাকা)

  • কাঠালবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কলাবাগান থানার আওতাধীন)


নোট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সাধারণত সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসের (যেমন: রমনা বা মোহাম্মদপুর থানা শিক্ষা অফিস, যার অধীনে এই এলাকাগুলো পড়ে) নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে। কোনো নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের সঠিক অবস্থান বা বর্তমান ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য স্থানীয় থানা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

ঢাকা মহানগরীর পুরান ঢাকা অঞ্চলের সূত্রাপুর, কোতোয়ালিলালবাগ থানার অধীনে থাকা উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

## ১. সূত্রাপুর থানা এলাকা

  • ইসলামিয়া ইউ. পি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভজহরি সাহা স্ট্রিট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কারকুনবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ওয়ারী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ওয়ারী মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • একরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • একরামপুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কে এ হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারিন্দা

  • নারিন্দা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নারিন্দা মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঢালকা নগর বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঢলকা নগর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কাজী নজরুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • এম. এ. আলীম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফরাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দয়াগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দক্ষিণ মহসেন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


## ২. কোতোয়ালি থানা এলাকা

  • আরমানীটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জিন্দাবাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাব কাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগামসিহ লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কোতোয়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সদরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


## ৩. লালবাগ থানা এলাকা

  • আজিমপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আজিমপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আমলীগোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গণকটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গণকটুলী হরিজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পলাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বকশীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাব বাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খাজে দেওয়ান ২নং লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মৌলভীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চম্পতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দেবীদাস ঘাট লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভাগলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গিয়াস উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গোরে শহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভাটার মসজিদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পেয়ারু সরদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফাতেমা জিন্নাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নোট: ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ (থানা শিক্ষা অফিস) কর্তৃক এই তালিকাটি নিয়ন্ত্রিত হয়। কোনো নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের অবস্থান বা ইআইআইএন (EIIN) নম্বর জানার প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও কদমতলী এলাকার কিছু উল্লেখযোগ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

যাত্রাবাড়ী এলাকা:

  • যাত্রাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪)

  • পাড়াডগার মান্নান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্যারাডগার, যাত্রাবাড়ী)

ডেমরা এলাকা:

  • ডেমরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডেমরা, ঢাকা)

  • ডগাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডগাইর, ডেমরা, ঢাকা ১৩৬১)

  • ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দাসকান্দি, ডেমরা)

কদমতলী এলাকা:

  • কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জিয়া নগর রোড)

  • পাঁচদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(উল্লেখ্য, এই এলাকাগুলোতে আরও বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, তবে এগুলো ওই অঞ্চলের প্রধান ও পরিচিত বিদ্যালয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত।)


ঢাকার শেরেবাংলা নগর ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকার প্রধান প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

শেরেবাংলা নগর এলাকা:

  • আগারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (আগারগাঁও)

  • শেরেবাংলা নগর শিশু শিক্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগারগাঁও তালতলা সরকারি কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রাথমিক শাখা

  • শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক/বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রাথমিক শাখা

মোহাম্মদপুর এলাকা:

  • লালমাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (লালমাটিয়া)

  • বসিলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বসিলা)

  • মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শাহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • হাজী চিনু মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বরাবো মোহনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জহুরী মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • টিক্কাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ব্লক-এফ, জয়েন্ট কোয়ার্টার এলাকা)

(উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা মহানগরীর অনেকগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বর্তমানে "দৃষ্টিনন্দন মডেল বিদ্যালয়" হিসেবে নতুন আঙ্গিকে রূপান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে এই দুই এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল অন্তর্ভুক্ত।)

 

৯ লাখ৩০ কোটি টাকার বাজেট কোন খাতে কত ?



 ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট কোন খাতে কত?

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট প্রস্তুত করছে, যা আগামী ১১ জুন ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে পেশ করার কথা রয়েছে।

যেহেতু বাজেটটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে উত্থাপিত ও পাস হয়নি, তাই সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিটি খাতের পাই-পাই হিসাব বা চূড়ান্ত গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের খসড়া পরিকল্পনা ও নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান প্রধান খাতগুলোর সম্ভাব্য বরাদ্দের একটি চিত্র পাওয়া গেছে।

নিচে প্রধান খাতগুলোর সম্ভাব্য বরাদ্দের বিবরণ দেওয়া হলো:

পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়

  • অনুন্নয়ন বা পরিচালন ব্যয়: প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয়)।

  • বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি

  • প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩০ কোটি টাকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক পরিকল্পনা শুরু করেছে।

    সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারণী সূত্রের তথ্যানুযায়ী, নবম পে-স্কেলের জন্য সম্ভাব্য বরাদ্দের হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:

  • প্রাথমিক সম্ভাব্য বরাদ্দ: নতুন এই পে-স্কেলের প্রাথমিক রূপরেখা ও প্রথম ধাপের কাজ শুরু করতে আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা বা খসড়া করা হচ্ছে।

  • বাস্তবায়ন কৌশল: দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপের কথা বিবেচনা করে সরকার পুরো স্কেল এককালীন বা একযোগে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে (২০২৯ সালের মধ্যে) পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের কৌশল হাতে নিয়েছে।

  • প্রথম ধাপের সুবিধা:প্রথম পর্যায়ে মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের (Basic Salary) একটি নির্দিষ্ট অংশ বৃদ্ধি করে স্বস্তি দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে অন্যান্য সুবিধা ও ভাতাগুলো এর সাথে যুক্ত করা হবে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই বরাদ্দ এবং বেতন কাঠামোটি বর্তমানে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার খসড়া অংশ মাত্র। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরেই এটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।

    প্রধান প্রধান খাত ও সম্ভাব্য বরাদ্দ

    খাতের নামসম্ভাব্য বরাদ্দের পরিমাণ / বিবরণ
    ভর্তুকি ও প্রণোদনাপ্রায় ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা (বিদ্যুৎ, এলএনজি, সার, ওএমএস এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা খাতে)।
    ঋণের সুদ পরিশোধপ্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা (অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ)।
    সামাজিক নিরাপত্তা খাতনতুন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা, উপকারভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
    সৃজনশীল অর্থনীতি (Creative Economy)বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই খাতটিকে মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত করতে নতুন করে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

    বাজেটের আয়ের উৎস ও ঘাটতি

    • মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।

    • সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

    উল্লেখ্য, আগামী ১১ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রী কর্তৃক বাজেট উপস্থাপনের পর প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও খতিয়ান সংবলিত চূড়ান্ত তালিকা বা বাজেট বই প্রকাশ করা হবে।