ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর নামের তালিকা



ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর নামের তালিকা

 ঢাকা মহানগরী বা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) এলাকায় ৩ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এতো বিশাল তালিকা একবারে দেওয়া সম্ভব না হলেও, ঢাকা মহানগরীর প্রধান প্রধান থানা ও এলাকাভিত্তিক জনপ্রিয় এবং উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ঢাকা মহানগরের মিরপুর ও পল্লবী থানা এলাকার প্রধান প্রধান এবং পরিচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

পল্লবী থানা এলাকা

  • পল্লবী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেক্টর-৭, মিরপুর)

  • বাউন্নিয়া বাঁধ ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বাউন্নিয়া বাঁধ এলাকা)

  • মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মিরপুর সেনানিবাস এলাকা)

  • শহীদবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • রূফনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (রূপনগর এলাকা)

মিরপুর থানা এলাকা

  • মিরপুর আর. সি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (লালকুঠি, মিরপুর-১)

  • সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেনপাড়া, মিরপুর-১০)

  • গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মাজার রোড এলাকা)

  • আব্দুল মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খলিলুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


নোট: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ পুনর্বিন্যাস ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক সীমানা অনুযায়ী মিরপুর, পল্লবী, শাহ আলী, রূপনগর ও কাফরুল থানা একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। তাই কিছু বিদ্যালয় স্থানীয়ভাবে ভিন্ন থানার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে পরিচিত হতে পারে।


ঢাকা মহানগরের উত্তরা, উত্তরখান এবং দক্ষিণখান এলাকায় বেশ কিছু নামকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আপনার সুবিধার্থে এই এলাকাগুলোর প্রধান কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

উত্তরা এলাকা

  • আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরা)

  • দৌড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরা সংলগ্ন, দিয়াবাড়ী এলাকা)

  • উত্তরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সেক্টর ভিত্তিক বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)

উত্তরখান এলাকা

  • উত্তরখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরখান)

  • কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তরখান)

দক্ষিণখান এলাকা

  • দক্ষিণখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (EIIN: 137178)

  • কাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দক্ষিণখান সংলগ্ন কাওলা এলাকা)


নোট: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ ওয়ার্ড ও থানা পুনর্গঠনের কারণে অনেক এলাকার সীমানায় নতুন বিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো ওয়ার্ড বা ক্লাস্টারের সব বিদ্যালয়ের তালিকা একদম নিখুঁতভাবে জানতে আপনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা স্থানীয় থানা শিক্ষা অফিস (TEO)-এ যোগাযোগ করতে পারেন।

ঢাকা মহানগরীর গুলশান, বনানী ও খিলক্ষেত এবং এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত উল্লেখযোগ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর (Government Primary School) তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

গুলশান ও বনানী এলাকা

গুলশান ও বনানী থানা এলাকার ভেতরে এবং এর সীমান্তবর্তী ওয়ার্ডগুলোতে যেসকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে:

  • কালাচাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কালাচাঁদপুর, গুলশান)

  • শাহজাদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শাহজাদপুর, গুলশান)

  • আমতলী স্টাফ ওয়েলফেয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (মহাখালী/বনানী সংলগ্ন আমতলী)

  • কড়াইল টিঅ্যান্ডটি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কড়াইল, বনানী)


খিলক্ষেত এলাকা

খিলক্ষেত থানা এবং এর আওতাধীন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ডুমনি, পাতিরাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ:

  • কুর্মিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত)

  • ডুমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডুমনি, খিলক্ষেত)

  • কুড়িল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কুড়িল, খিলক্ষেত সংলগ্ন)

  • পাতিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পাতিরা, খিলক্ষেত)

  • কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • চামুরখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • মইনারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • রাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

  • মুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (খিলক্ষেত এলাকা)

নোট: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পরিবর্ধিত সীমানা এবং থানা পুনর্বিন্যাসের কারণে খিলক্ষেত ও গুলশানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিছু বিদ্যালয় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট পার্শ্ববর্তী থানা বা ইউনিয়নের সাথেও প্রশাসনিকভাবে যুক্ত থাকতে পারে।

ঢাকা শহরের মতিঝিল ও পল্টন থানা এলাকার প্রধান কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

মতিঝিল এলাকা

  • মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • টি এন্ড টি গেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

পল্টন এলাকা

  • পল্টন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পুরানা পল্টন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরীর থানা পুনর্গঠন ও সীমানা পরিবর্তনের কারণে কিছু বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সাথে যৌথভাবে পরিচালিত হতে পারে।)

ঢাকা শহরের ধানমন্ডি ও কলাবাগান থানা এলাকার কয়েকটি প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ধানমন্ডি এলাকা

  • ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪ নম্বর রোড)

  • হাজেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পশ্চিম ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ট্যানারী এরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কলাবাগান এলাকা

  • কলাবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বশির উদ্দিন রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • উত্তর ধানমন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কলাবাগান সংলগ্ন এলাকা)

  • কাঠালবাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কলাবাগান থানার আওতাধীন)


নোট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সাধারণত সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসের (যেমন: রমনা বা মোহাম্মদপুর থানা শিক্ষা অফিস, যার অধীনে এই এলাকাগুলো পড়ে) নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে। কোনো নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের সঠিক অবস্থান বা বর্তমান ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য স্থানীয় থানা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

ঢাকা মহানগরীর পুরান ঢাকা অঞ্চলের সূত্রাপুর, কোতোয়ালিলালবাগ থানার অধীনে থাকা উল্লেখযোগ্য কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

## ১. সূত্রাপুর থানা এলাকা

  • ইসলামিয়া ইউ. পি. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভজহরি সাহা স্ট্রিট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কারকুনবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ওয়ারী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ওয়ারী মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • একরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • একরামপুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কে এ হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারিন্দা

  • নারিন্দা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নারিন্দা মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঢালকা নগর বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ঢলকা নগর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কাজী নজরুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • এম. এ. আলীম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফরাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দয়াগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দক্ষিণ মহসেন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


## ২. কোতোয়ালি থানা এলাকা

  • আরমানীটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জিন্দাবাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাব কাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগামসিহ লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • কোতোয়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সদরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


## ৩. লালবাগ থানা এলাকা

  • আজিমপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আজিমপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আমলীগোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গণকটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গণকটুলী হরিজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পলাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বকশীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • নবাব বাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • খাজে দেওয়ান ২নং লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • মৌলভীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • চম্পতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • দেবীদাস ঘাট লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভাগলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গিয়াস উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • গোরে শহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ভাটার মসজিদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • পেয়ারু সরদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ফাতেমা জিন্নাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নোট: ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ (থানা শিক্ষা অফিস) কর্তৃক এই তালিকাটি নিয়ন্ত্রিত হয়। কোনো নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের অবস্থান বা ইআইআইএন (EIIN) নম্বর জানার প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও কদমতলী এলাকার কিছু উল্লেখযোগ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিচে দেওয়া হলো:

যাত্রাবাড়ী এলাকা:

  • যাত্রাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪)

  • পাড়াডগার মান্নান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্যারাডগার, যাত্রাবাড়ী)

ডেমরা এলাকা:

  • ডেমরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডেমরা, ঢাকা)

  • ডগাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ডগাইর, ডেমরা, ঢাকা ১৩৬১)

  • ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (দাসকান্দি, ডেমরা)

কদমতলী এলাকা:

  • কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জিয়া নগর রোড)

  • পাঁচদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

(উল্লেখ্য, এই এলাকাগুলোতে আরও বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, তবে এগুলো ওই অঞ্চলের প্রধান ও পরিচিত বিদ্যালয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত।)


ঢাকার শেরেবাংলা নগর ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকার প্রধান প্রধান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

শেরেবাংলা নগর এলাকা:

  • আগারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (আগারগাঁও)

  • শেরেবাংলা নগর শিশু শিক্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • আগারগাঁও তালতলা সরকারি কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রাথমিক শাখা

  • শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক/বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রাথমিক শাখা

মোহাম্মদপুর এলাকা:

  • লালমাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (লালমাটিয়া)

  • বসিলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বসিলা)

  • মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • শাহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • হাজী চিনু মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • বরাবো মোহনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • জহুরী মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • টিক্কাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ব্লক-এফ, জয়েন্ট কোয়ার্টার এলাকা)

(উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা মহানগরীর অনেকগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বর্তমানে "দৃষ্টিনন্দন মডেল বিদ্যালয়" হিসেবে নতুন আঙ্গিকে রূপান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে এই দুই এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল অন্তর্ভুক্ত।)

 

৯ লাখ৩০ কোটি টাকার বাজেট কোন খাতে কত ?



 ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট কোন খাতে কত?

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট প্রস্তুত করছে, যা আগামী ১১ জুন ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে পেশ করার কথা রয়েছে।

যেহেতু বাজেটটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে উত্থাপিত ও পাস হয়নি, তাই সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিটি খাতের পাই-পাই হিসাব বা চূড়ান্ত গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের খসড়া পরিকল্পনা ও নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান প্রধান খাতগুলোর সম্ভাব্য বরাদ্দের একটি চিত্র পাওয়া গেছে।

নিচে প্রধান খাতগুলোর সম্ভাব্য বরাদ্দের বিবরণ দেওয়া হলো:

পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়

  • অনুন্নয়ন বা পরিচালন ব্যয়: প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয়)।

  • বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি

  • প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩০ কোটি টাকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক পরিকল্পনা শুরু করেছে।

    সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারণী সূত্রের তথ্যানুযায়ী, নবম পে-স্কেলের জন্য সম্ভাব্য বরাদ্দের হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:

  • প্রাথমিক সম্ভাব্য বরাদ্দ: নতুন এই পে-স্কেলের প্রাথমিক রূপরেখা ও প্রথম ধাপের কাজ শুরু করতে আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা বা খসড়া করা হচ্ছে।

  • বাস্তবায়ন কৌশল: দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপের কথা বিবেচনা করে সরকার পুরো স্কেল এককালীন বা একযোগে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে (২০২৯ সালের মধ্যে) পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের কৌশল হাতে নিয়েছে।

  • প্রথম ধাপের সুবিধা:প্রথম পর্যায়ে মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের (Basic Salary) একটি নির্দিষ্ট অংশ বৃদ্ধি করে স্বস্তি দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে অন্যান্য সুবিধা ও ভাতাগুলো এর সাথে যুক্ত করা হবে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই বরাদ্দ এবং বেতন কাঠামোটি বর্তমানে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার খসড়া অংশ মাত্র। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরেই এটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।

    প্রধান প্রধান খাত ও সম্ভাব্য বরাদ্দ

    খাতের নামসম্ভাব্য বরাদ্দের পরিমাণ / বিবরণ
    ভর্তুকি ও প্রণোদনাপ্রায় ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা (বিদ্যুৎ, এলএনজি, সার, ওএমএস এবং ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা খাতে)।
    ঋণের সুদ পরিশোধপ্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা (অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ)।
    সামাজিক নিরাপত্তা খাতনতুন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা, উপকারভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
    সৃজনশীল অর্থনীতি (Creative Economy)বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই খাতটিকে মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত করতে নতুন করে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

    বাজেটের আয়ের উৎস ও ঘাটতি

    • মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।

    • সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

    উল্লেখ্য, আগামী ১১ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রী কর্তৃক বাজেট উপস্থাপনের পর প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও খতিয়ান সংবলিত চূড়ান্ত তালিকা বা বাজেট বই প্রকাশ করা হবে।

    ধেয়ে আসছে শক্তি রুপে সৌর শিখা বিঘ্ন ঘটাতে পারে যোগাযোগ

     


    ধেয়ে আসছে শক্তিশাীরুপে সৌর শিখা বিঘ্ন ঘটাতে পারে যোগাযোগ

    সূর্য থেকে শক্তিশালী সৌর শিখা (Solar Flare) বা করোনাল মাস ইজেকশন (CME) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসার খবর শুনলে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

    এই ধরণের মহাজাগতিক ঘটনা আমাদের পৃথিবীর কী ক্ষতি করতে পারে আর আমরা কতটা নিরাপদ, তা সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক:

    আমাদের ওপর এর প্রভাব কেমন হতে পারে?

    • প্রযুক্তিতে বিঘ্ন: শক্তিশালী সৌর ঝড় মূলত আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। এর কারণে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, জিপিএস (GPS), রেডিও সিগন্যাল এবং কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রিডে (Power Grid) সাময়িক বিপর্যয় ঘটতে পারে।

    • অরোরা বা মেরুজ্যোতি: সৌর কণার সাথে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সংঘর্ষের ফলে মেরু অঞ্চলগুলোতে (এবং তীব্রতা বেশি হলে তার আশেপাশের এলাকাতেও) চমৎকার রঙিন আলোর খেলা বা অরোরা দেখা যায়।

    আমরা কি সরাসরি কোনো বিপদে আছি?

    ভয়ের কিছু নেই: পৃথিবীর শক্তিশালী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র (Magnetosphere) এবং বায়ুমণ্ডল একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এটি সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর বিকিরণকে আটকে দেয়। তাই মানুষ বা অন্য কোনো জীবদেহের সরাসরি কোনো শারীরিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    বিজ্ঞানীরা এবং বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (যেমন NASA বা NOAA) সার্বক্ষণিকভাবে সূর্যের ওপর নজর রাখছে। কোনো বড় সৌর শিখা ধেয়ে আসলে তারা আগেই সতর্কবার্তা জারি করে, যাতে স্যাটেলাইট এবং বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারীরা প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন।

    এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সাম্প্রতিক ঝড় বা এর তীব্রতা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন কি?

    সৌর শিখা (Solar Flare) হলো সূর্যের বায়ুমণ্ডলে ঘটা এক ধরণের তীব্র বিস্ফোরণ। যখন সূর্যের উপরিভাগে জমা হওয়া চৌম্বকীয় শক্তি হঠাৎ মুক্ত হয়ে যায়, তখন বিপুল পরিমাণে আলো, রশ্মি এবং শক্তি মহাশূন্যে ছিটকে আসে। একেই সৌর শিখা বলা হয়।

    সৌর শিখা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

    ১. কীভাবে তৈরি হয়?

    সূর্যের পৃষ্ঠে প্রতিনিয়ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি এবং পরিবর্তিত হচ্ছে। কখনো কখনো এই চৌম্বক রেখাগুলো একে অপরের সাথে পেঁচিয়ে যায় এবং হঠাৎ করে ছিঁড়ে বা পুনর্গঠিত (Magnetic Reconnection) হয়। এই প্রক্রিয়ায় কয়েক মিলিয়ন পারমাণবিক বোমার সমান শক্তি একসাথে নির্গত হয়, যা সৌর শিখা হিসেবে প্রকাশ পায়।

    ২. কী কী নির্গত হয়?

    একটি সৌর শিখা থেকে প্রচুর পরিমাণে উচ্চ-শক্তির বিকিরণ বা রশ্মি নির্গত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

    • এক্স-রে (X-rays)

    • অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet light)

    • রেডিও তরঙ্গ (Radio waves)

    • উচ্চ-গতির ইলেকট্রন ও প্রোটন কণা

    ৩. পৃথিবীর ওপর এর প্রভাব

    সৌর শিখা সরাসরি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে মানুষের শরীরে আঘাত করতে পারে না, কারণ আমাদের পৃথিবীর একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং বায়ুমণ্ডল রয়েছে। তবে এটি পরোক্ষভাবে কিছু সমস্যা তৈরি করতে পারে:

    • যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন: তীব্র সৌর শিখার কারণে পৃথিবীর আয়নোস্ফিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা রেডিও যোগাযোগ এবং জিপিএস (GPS) সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    • স্যাটেলাইট ক্ষতি: মহাশূন্যে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটগুলোর ভেতরের ইলেকট্রনিক্স নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

    • মেরুজ্যোতি বা অরোরা: সৌর শিখার ফলে নির্গত কণাগুলো যখন পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর আকাশে চমৎকার রঙিন আলোর নাচানাচি বা মেরুজ্যোতি (Aurora) দেখা যায়।

    ৪. শ্রেণীবিভাগ

    বিজ্ঞানীরা সৌর শিখার তীব্রতা অনুযায়ী এদের কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন:

    • A, B, এবং C-Class: এগুলো বেশ দুর্বল এবং পৃথিবীর ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না।

    • M-Class: মাঝারি আকারের শিখা। এগুলো মেরু অঞ্চলে ছোটখাটো রেডিও ব্ল্যাকআউট ঘটাতে পারে।

    • X-Class: এগুলো সবচেয়ে শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক বিস্ফোরণ। এগুলো বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থা স্তব্ধ করে দিতে পারে এবং পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয় ঘটাতে পারে।

    সংক্ষেপে, সৌর শিখা হলো সৌরজগতের অন্যতম একটি শক্তিশালী এবং রোমাঞ্চকর প্রাকৃতিক ঘটনা।

    জাতীয় পেনশন স্কিম নিয়ে নতুন নির্দেশনা



    জাতীয় পেনশন স্কিম নিয়ে নতুন নির্দেশনা

    জাতীয় পেনশন স্কিম নিয়ে নতুন নির্দেশনা জাতীয় বা সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে সম্প্রতি সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভায় বেশ কিছু নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এই স্কিমটিকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয়, নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    নতুন নির্দেশনার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. নতুন লক্ষ্যমাত্রা (৪ কোটি পরিবার অন্তর্ভুক্তকরণ)

    সরকার আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে অন্তত একজন সদস্যকে এই পেনশন স্কিমের আওতায় আনার বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

    ২. নতুন ফিচারের পরিকল্পনা ও সংস্কার

    স্কিমটিকে জনগণের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কিছু নতুন বিষয়ে ইতিবাচক সংকেত দেওয়া হয়েছে:

    • শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম: ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে খুব দ্রুত শরিয়াহভিত্তিক (ইসলামী উপায়ে পরিচালিত) পেনশন স্কিম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

    • নমিনিদের জন্য আজীবন সুবিধা: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী পেনশনার মারা গেলে নমিনি ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন পান। তবে নতুন নির্দেশনায় নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    • আউটসোর্সিং কর্মীদের সুযোগ: 'প্রগতি' স্কিমের আওতায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আউটসোর্সিং কর্মীদেরও অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    ৩. আস্থা বৃদ্ধি ও সাইবার নিরাপত্তা

    গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই স্কিমে কিছুটা স্থবিরতা এসেছিল। সাধারণ মানুষের সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং পেনশন ফান্ডের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) এই ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

    ৪. টাকা জমা দেওয়া আরও সহজ

    আগে নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়া গেলেও, এখন গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এবং মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ) যুক্ত করা হয়েছে। এমনকি যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, তারাও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি নিবন্ধন করতে পারছেন।


    একটি গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার: এর আগে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যে 'প্রত্যয়' স্কিমটি বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত কর্মচারীদের জন্য সর্বজনীন পেনশনের সেই বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে।

    বর্তমানে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিম আগের নিয়মেই চালু রয়েছে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জমাকৃত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ ১১.৬১% পর্যন্ত মুনাফা দেওয়া হয়েছে।


    ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ (১-২০ গ্রেডের সম্ভাব্য তালিকা)

     


    ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ (১-২০ গ্রেডের সম্ভাব্য তালিকা)

    ২০২৬ সালের নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা ৯ম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সচিবালয় সূত্রে ২০২৬ সালের প্রস্তাবিত জাতীয় বেতন স্কেলের যে সম্ভাব্য খসড়া তালিকাটি সামনে এসেছে, তা নিচে দেওয়া হলো:

    প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ (১-২০ গ্রেডের সম্ভাব্য তালিকা)

    গ্রেডপ্রস্তাবিত বেতন স্কেল (টাকা)
    ০১১,৬০,০০০/- (নির্ধারিত)
    ০২১,৩২,০০০ – ১,৫৩,০০০/-
    ০৩১,১৩,০০০ – ১,৪৮,৮০০/-
    ০৪১,০০,০০০ – ১,৪২,৪০০/-
    ০৫৮৬,০০০ – ১,৩৯,৭০০/-
    ০৬৭১,০০০ – ১,৩৪,০০০/-
    ০৭৫৮,০০০ – ১,২৬,৮০০/-
    ০৮৪৭,convert_number_to_bengali_digits(২০০) – ১,১৩,৭০০/-
    ০৯৪৫,১০০ – ১,০৮,৮০০/-
    ১০৩২,০০০ – ৭৭,৩০০/-
    ১১২৫,০০০ – ৬০,৫০০/-
    ১২২৪,৩০০ – ৫৮,৭০০/-
    ১৩২৪,০০০ – ৫৮,০০০/-
    ১৪২৩,৫০০ – ৫৬,৮০০/-
    ১৫২২,৮০০ – ৫৫,২০০/-
    ১৬২১,৯০০ – ৫২,৯০০/-
    ১৭২১,৪০০ – ৫১,৯০০/-
    ১৮২১,০০০ – ৫০,৯০০/-
    ১৯২০,৫০০ – ৪৯,৬০০/-
    ২০২০,০০০ – ৪৮,৪০০/-

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা ও তথ্য:

    • বেতন বৃদ্ধির হার: এবারের খসড়ায় গড়ে প্রায় ১০৫% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে। তবে নিম্ন গ্রেডগুলোতে (১১-২০ গ্রেড) এই বৃদ্ধির হার প্রায় ১৪০% পর্যন্ত হতে পারে।

    • সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন অনুপাত: নতুন কাঠামোতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    • ভাতা বৃদ্ধি: টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করাসহ চিকিৎসা ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর দাবি ও প্রস্তাব রয়েছে।

    • বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া: দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয় একযোগে পুরো সুবিধা না দিয়ে ধাপে ধাপে (২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে) পূর্ণাঙ্গ সুবিধা বাস্তবায়নের কৌশল নিতে পারে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই তালিকাটি বর্তমানে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার একটি প্রাথমিক খসড়া মাত্র। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পরেই এই বেতন কাঠামো চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

    ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজের অনুমোদন

     


    ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ নতুন এক মেডিকেল কলেজের অনুমোদন 

    নতুন এক মেডিকেল কলেজের অনুমোদন বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি দেশের চিকিৎসা শিক্ষার প্রসারে নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিয়েছে।

    অনুমোদন পাওয়া নতুন প্রতিষ্ঠানটি হলো "ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ"

    ১৩ মে, ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই অনুমোদন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


    এক নজরে দেশের মেডিকেল কলেজ সংক্রান্ত তথ্য:

    • নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ: ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ (ঠাকুরগাঁও জেলা)।

    • মোট সরকারি মেডিকেল কলেজ: এই নতুন কলেজটি অনুমোদনের পর দেশে মোট সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি

    • ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ সম্প্রতি (মে ২০২৬) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি সম্পূর্ণ সরকারি মেডিকেল কলেজ

      যেহেতু এটি একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তাই এখানে পড়াশোনার খরচ বেসরকারি মেডিকেল কলেজের তুলনায় খুবই নগণ্য। নিচে এর আনুমানিক ব্যয় বা খরচের একটি ধারণা দেওয়া হলো:

      ১. ভর্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক খরচ (৫ বছরের এমবিবিএস কোর্স)

      • ভর্তিকালীন খরচ: প্রথম বর্ষে ভর্তির সময় কলেজ ভেদে এককালীন আনুমানিক ১৫,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা প্রয়োজন হয় (যার মধ্যে ভর্তি ফি, টিউশন ফি, রেজিস্ট্রেশন ও ল্যাব ফি অন্তর্ভুক্ত)।

      • মাসিক বেতন: সরকারি মেডিকেল কলেজে মাসিক বেতন মাত্র ১০০ টাকা। সে হিসাবে ৫ বছরে (৬০ মাসে) বেতন বাবদ মোট খরচ হবে মাত্র ৬,০০০ টাকা

      • পরীক্ষা ও অন্যান্য ফি: প্রতি বছর প্রফেশনাল (Prof) পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য ছোটখাটো প্রাতিষ্ঠানিক ফি মিলিয়ে ৫ বছরে আরও ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা লাগতে পারে।

      সারসংক্ষেপ: শুধুমাত্র কলেজের পড়াশোনা ও ভর্তি বাবদ ৫ বছরে সর্বমোট ৪০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে।

      ২. থাকা-খাওয়া এবং ব্যক্তিগত খরচ (আনুমানিক)

      পড়াশোনার খরচ কম হলেও ৫ বছরের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য কিছু খরচ রয়েছে:

      • হোস্টেল বা সিট ভাড়া: সরকারি মেডিকেল কলেজের হোস্টেল সিঙ্গেল সিট বা হল ভাড়া খুবই কম (মাসে মাত্র ১২ থেকে ১৫ টাকা)। তবে ডাইনিং বা হলের অন্যান্য চার্জ মিলিয়ে প্রতি মাসে হোস্টেল বাবদ সামান্য কিছু টাকা খরচ হতে পারে।

      • খাবার ও ব্যক্তিগত খরচ: প্রতি মাসে নিজের খাওয়া-দাওয়া, পকেট খরচ এবং আনুষঙ্গিক মিলিয়ে আনুমানিক ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা লাগতে পারে (এটি সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার ওপর নির্ভরশীল)।

      • বই ও মেডিকেল সরঞ্জাম: চিকিৎসা বিজ্ঞানের বই এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (যেমন: অ্যাপ্রন, স্টেথিস্কোপ, বোনস সেট ইত্যাদি) কেনার জন্য পুরো কোর্সে এককালীন ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা লাগতে পারে।

      সব মিলিয়ে, একজন শিক্ষার্থী যদি হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন, তবে ব্যক্তিগত ও থাকা-খাওয়ার খরচসহ ৫ বছরের সম্পূর্ণ এমবিবিএস কোর্স শেষ করতে আনুমানিক ৩.৫ থেকে ৫ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে।

      আপনি কি এই মেডিকেল কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া বা আসন সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানতে চাচ্ছেন?

    • অন্যান্য মেডিকেল কলেজ: বর্তমানে দেশে ৬৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আরও ৬টি মেডিকেল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।

    এছাড়াও ২০২৬ সালের শুরুতেই মুন্সিগঞ্জ জেলায় আরেকটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যার অবকাঠামো উন্নয়নের পর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

    মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

     


    মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

    মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশের সব মার্কেট, শপিং মল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ মে ২০২৬ থেকে শুরু করে ঈদের দিন পর্যন্ত দেশের সব মার্কেট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এই নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

    এর আগে দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার প্রথমে মার্কেট বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৬টা এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতির অনুরোধে তা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা নির্ধারণ করেছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার কেনাকাটার সুবিধার্থে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এই সময়সীমা সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষ নির্দেশনা: ব্যবসায়ীদেরকে এই বর্ধিত সময়ে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা (যেমন: মরিচ বাতি বা ডেকোরেটিভ লাইটিং) এবং বিদ্যুতের অপচয় রোধ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশের সব মার্কেট, শপিং মল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ মে ২০২৬ থেকে শুরু করে ঈদের দিন পর্যন্ত দেশের সব মার্কেট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এই নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

    এর আগে দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার প্রথমে মার্কেট বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৬টা এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতির অনুরোধে তা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা নির্ধারণ করেছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার কেনাকাটার সুবিধার্থে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এই সময়সীমা সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষ নির্দেশনা: ব্যবসায়ীদেরকে এই বর্ধিত সময়ে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা (যেমন: মরিচ বাতি বা ডেকোরেটিভ লাইটিং) এবং বিদ্যুতের অপচয় রোধ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশের সব মার্কেট, শপিং মল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ মে ২০২৬ থেকে শুরু করে ঈদের দিন পর্যন্ত দেশের সব মার্কেট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এই নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে।

    এর আগে দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার প্রথমে মার্কেট বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৬টা এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতির অনুরোধে তা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা নির্ধারণ করেছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার কেনাকাটার সুবিধার্থে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এই সময়সীমা সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষ নির্দেশনা: ব্যবসায়ীদেরকে এই বর্ধিত সময়ে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা (যেমন: মরিচ বাতি বা ডেকোরেটিভ লাইটিং) এবং বিদ্যুতের অপচয় রোধ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে বদলান ৮ অভ্যাস

     


    মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে বদলান ৮ অভ্যাস

    মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে বদলান ৮ অভ্যাস মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ দীর্ঘ সময় বজায় রাখার জন্য আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। অবহেলা বা অসচেতনতার কারণে গড়ে ওঠা কিছু সাধারণ অভ্যাস আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়।

    মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে আজই যে ৮টি অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত, তা নিচে আলোচনা করা হলো:


    ১. অপর্যাপ্ত ঘুম বর্জন করা

    পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য রিচার্জ হওয়ার সময়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক সারাদিনের অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলে এবং প্রয়োজনীয় স্মৃতিগুলো স্থায়ী করে। প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। নিয়মিত ঘুমের অভাব স্মৃতিশক্তি হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ।

    ২. সকালের নাস্তা বাদ না দেওয়া

    সারা রাত উপোস থাকার পর সকালে মস্তিষ্কের সচলতার জন্য গ্লুকোজের প্রয়োজন হয়। সকালের নাস্তা বাদ দিলে মস্তিষ্কে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়, যা সারাদিনের মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সকালে পুষ্টিকর ও ভারী নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

    ৩. অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনি খাওয়া বন্ধ করা

    অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি মস্তিষ্কের নতুন কোষ তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত করে এবং পুষ্টির শোষণ কমিয়ে দেয়। ফলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে।

    ৪. অলস জীবনযাপন ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা দূর করা

    শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়ে। যারা সারাদিন বসে কাজ করেন বা কোনো শারীরিক পরিশ্রম করেন না, তাদের মস্তিষ্কের কোষগুলো দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস করুন।


    ৫. অতিরিক্ত গ্যাজেট বা স্ক্রিন টাইম কমানো

    ঘুমানোর আগে বা সারাদিন অতিরিক্ত মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা থেকে নির্গত নীল আলো (Blue Light) মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে বাধা দেয়। এটি মস্তিষ্কের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটায় এবং মানসিক ক্লান্তি বাড়ায়।

    ৬. একা থাকার অভ্যাস বা সামাজিক যোগাযোগহীনতা কমানো

    মানুষ সামাজিক জীব। দীর্ঘ সময় একা থাকা বা মানুষের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দিলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিষণ্ণতা বাড়ে। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সাথে কথা বলা এবং সামাজিক কার্যকলাপে অংশ নেওয়া মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত ও তরুণ রাখে।

    ৭. মাল্টিটাস্কিং বা একসাথে অনেক কাজ করার চেষ্টা না করা

    অনেকেই ভাবেন একসাথে অনেক কাজ করা বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ, কিন্তু আসলে এটি মস্তিষ্কের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা (Attention Span) কমিয়ে দেয়। মস্তিষ্ক একসাথে দুটি জটিল কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটি সময়ে একটি কাজেই মনোযোগ দেওয়ার অভ্যাস করুন।

    ৮. কম পানি খাওয়ার অভ্যাস বদলানো

    আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় ৭০-৮০% অংশই পানি। শরীরে পানির সামান্য ঘাটতি হলেও তা মাথা ব্যথা, মনোযোগের অভাব এবং স্মৃতিভ্রমের কারণ হতে পারে। তাই সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ (অন্তত ২-৩ লিটার) পানি পান নিশ্চিত করুন।


    সংক্ষিপ্ত পরামর্শ: মস্তিষ্ককে সচল রাখতে নতুন কোনো ভাষা শেখা, বই পড়া বা পাজল/দাবা খেলার মতো মানসিক ব্যায়ামের অভ্যাসও গড়ে তুলতে পারেন।